শিরোনাম:
রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৮ জনের মৃত্যু এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’
১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

অনলাইন ব্যবসায় নীতিসহায়তা দরকার

করোনা মহামারিতে অনলাইনে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। অন্যান্য দেশে অনলাইনে পণ্য কিনলে মূল্য কম পড়ে। আর আমাদের দেশে বেশি। এটির মূল কারণ হচ্ছে ভ্যাট। ২০১৮ সালে অনলাইন কেনাকাটায় ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়। অন্যদিকে দেশের ৯০ শতাংশ দোকানপাটেই ভ্যাট দিতে হয় না। এ জন্য দোকানপাটের চেয়ে অনলাইনে কেনাকাটায় বেশি খরচ হয়।

সম্প্রতি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও সাভারের আটটি বিপণিবিতানে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এক জরিপে দেখা গেছে, ৮৮ শতাংশ দোকান ভ্যাট দেয় না। ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকায় এই অবস্থা হলে মফস্বলের চিত্র আরও করুণ হবে। সে কারণে অনলাইন কেনাকাটায় আগামী দুই-তিন বছরের জন্য ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হলে খাতটি বেড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।

আমরা সবাই চাই, দেশের অর্থনীতি অপ্রাতিষ্ঠানিক থেকে প্রাতিষ্ঠানিক হোক। দুই বছর আগে সরকার ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় আনার জন্য ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়। এমন নয় যে বিদেশ থেকে প্রবাসীরা বেশি টাকা পাঠাচ্ছেন। তাঁরা আগেও পাঠাতেন, যার একটি বড় অংশ হুন্ডির মাধ্যমে আসত। সরকার ৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে সেই অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলে নিয়ে এসেছে। অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রেও সরকারের এ রকম নীতিগত সিদ্ধান্ত দরকার।

অনলাইন ব্যবসায় আরেকটি বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে ইন্টারনেটের খরচ। শহরাঞ্চলে আমরা স্বল্প ব্যয়ের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করি। কিন্তু গ্রামাঞ্চলের লোকজনের ভরসা হচ্ছে মুঠোফোনে থ্রি-জি বা ফোর-জির ইন্টারনেট। ইন্টারনেটের ওপর ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক (এসডি) ও ৫ শতাংশ সারচার্জ মওকুফ করা দরকার।

বাংলাদেশের ২-৩ শতাংশ মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করে। চীনে সেটি ৫০ শতাংশ ও ভারতে ১৫ শতাংশের কাছাকাছি। ভারতে জিও কোম্পানি ইন্টারনেট খরচ কমানোর পর তিন বছরের ব্যবধানে অনলাইনে কেনাকাটার এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। আমাদের দেশেও সেই সুযোগ আছে।

admin

Read Previous

দ্রুত করোনা টিকার ব্যবস্থা করতে হবে

Read Next

সম্ভাবনার ব্যবসায় সহায়তার আশা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *