শিরোনাম:
রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৮ জনের মৃত্যু এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’
১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

‘এত দিন ভয়ে মুখ খুলিনি, জানতে চাই মুসা কোথায়?’

মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যার পর এই মামলার অন্যতম আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসাকে ‘শেল্টার’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার। মুসার স্ত্রী পান্না আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, সন্তানদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ভয়ে এত দিন তিনি মুখ খোলেননি। এখন জানতে চান মুসা কোথায়?
পান্না বলেন, ‘মামলার স্বার্থেই তাঁর স্বামী মুসাকে খুঁজে বের করা জরুরি।

মিতু হত্যায় বুধবার পিবিআইয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল এবং বাবুল আক্তারকে ১ নম্বর আসামি করে নতুন মামলা দায়েরের পর প্রথম যে প্রশ্নটি ওঠে, তা হলো মুসা এখন কোথায়? বুধবার পিবিআইয়ের উপমহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার বলেন, মুসাকে মিতু হত্যার ঘটনাস্থলে দেখা গেছে। তিনি বাবুল আক্তারের সোর্স এবং পলাতক।

পুলিশের খাতায় মুসা পলাতক হলেও পান্না আক্তার বলেন, কাঠঘর তিন রাস্তার মোড় থেকে তাঁর চোখের সামনে দিয়ে পুলিশই মুসাকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর থেকে মুসা নিখোঁজ। নতুন মামলায় বাবুল আক্তার ১ নম্বর আসামি, মুসা ২। পান্না আক্তারের প্রশ্ন, মুসাকে বলা হচ্ছিল এই ঘটনার নির্দেশদাতা। আর কেউ নির্দেশ দিলে কেন তিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীকে হত্যা করবেন? এই প্রশ্নের জবাব পুলিশ খোঁজেনি।

পান্না আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, মুসা ‘প্রশাসনের’ সোর্স ছিলেন। বাবুল আক্তারের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। এমনকি বাবুল আক্তার যখন সুদানে যান, তখনো তিনি মুসার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন। ২০১৬ সালের ৫ জুন যেদিন মিতু খুন হন, সেদিন তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে চট্টগ্রামের কালামিয়া বাজারের বাসায় ছিলেন। বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি মুসাকে বাসায় রেখে রাঙ্গুনিয়ায় বাবার বাসায় চলে আসেন।

হঠাৎ শুনতে পান তাঁদের বাড়িতে পুলিশ গেছে। নানা জায়গায় সাদাপোশাকে পুলিশ মুসার খোঁজ করছে। এর মধ্যে মুসা তাঁদের রাঙ্গুনিয়ার বাসায় চলে আসেন। মুসা একাধিক ফোন ব্যবহার করতেন। একবার একটা ফোন পান্নার কাছে রেখে তিনি বেরিয়েছিলেন। এ সময় টিঅ্যান্ডটি নম্বর থেকে ফোন আসে। ও প্রান্তে কে কথা বলছিলেন তিনি জানেন না। তবে ওই ব্যক্তি তাঁকে বলেন মুসা যেন সাবধানে থাকে।

admin

Read Previous

উপহারের টিকা থেকে ৩০ হাজার ডোজ নিজেদের জন্য চেয়েছে চীন

Read Next

সোনালি স্মৃতির ঈদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *