শিরোনাম:
এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’ ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর তনয়া, দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা, আপনি আস্থা ও ভরসার শেষ ঠিকানা’
১১ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৬শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

কর্মী পাঠানোর সুযোগ কাজে লাগাল দেশ

বিদেশগামী কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়ার কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার ১৭ এপ্রিল থেকে পাঁচ দেশে বিশেষ ফ্লাইট চালু করে। গত ১৫ দিনে বিশেষ ফ্লাইটে অন্তত ৬৫ হাজার কর্মী বিদেশে গেছেন। এর মধ্যে প্রধান গন্তব্য ছিল মধ্যপ্রাচ্য। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ভারতীয় কর্মী নিয়োগ বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের কর্মীদের সেখানে কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা গত রোববার প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, গত বছর করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রথম পর্বে প্রবাসী কর্মীদের চাকরির সুরক্ষা ছিল রীতিমতো চ্যালেঞ্জের। ওই সময়ে বিদেশ থেকে কর্মী ফিরিয়ে আনার চাপ ছিল। আবার যাঁরা দেশে ফিরেছিলেন, তাঁদের বড় অংশটি ফিরে যাননি। গত বছর করোনা পরিস্থিতি সরকার ভালোভাবে সামাল দেওয়ায় কোনো দেশ বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগ কিংবা ফ্লাইট চলাচলে বিধিনিষেধ দেয়নি। এই পরিস্থিতিতে এবার বেশি কর্মীকে বিদেশে পাঠানো গেছে। এমনকি বিদেশ যাওয়া কর্মীর তুলনায় ফিরে আসার আনুপাতিক হারও বেশ কম।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ ফ্লাইট চালু হওয়ার পর থেকে ১ মে পর্যন্ত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ওমান, বাহরাইন ও সিঙ্গাপুরে গেছেন ৬৪ হাজার ৮৮৩ জন। একই সময়ে ওই সাত দেশ থেকে দেশে ফিরেছেন ১৬ হাজার ৭০৭ জন। বিদেশ যাওয়া কর্মীদের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও কাতারে গেছেন যথাক্রমে ২৫ হাজার ৫০১, ২১ হাজার ৯৪৩ ও ১০ হাজার ৪৯৮ জন।

সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, এক মাসের বেশি সময় ধরে সৌদি আরবে ভারতের কর্মী নিয়োগ বন্ধ থাকায় সেখানে বাংলাদেশের কর্মীদের চাহিদা হঠাৎ বেড়েছে। দেশটিতে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার করে নতুন কর্মীর চাহিদার অনুমোদন দিয়েছে। বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগের নতুন এই পরিস্থিতিকে বিশেষভাবে কাজে লাগানোর জন্য গত মাসে ঢাকা সফরের সময় গুরুত্বারোপ করেন রিয়াদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট চালুর বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের যে পরিস্থিতি এখন রয়েছে, তাতে যেকোনো দেশ তাদের সীমান্ত বাংলাদেশের জন্য বন্ধ করে দিতে পারে। কাজেই বাংলাদেশের জন্য যতক্ষণ ফ্লাইট চালু থাকবে, সেই সময় পর্যন্ত আমরা লোকজন পাঠানো অব্যাহত রাখব।’

মাসুদ বিন মোমেন জানান, গত বছরের একই সময়ের চিত্রটা ছিল এখনকার ঠিক উল্টো। তখন বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের কর্মীদের ফেরত পাঠাতে চেয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ নেয়নি।

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি ভালোভাবে সামাল দেওয়ায় বাংলাদেশ এবার কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের কর্মীদের মূল গন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চাহিদাও বেড়েছে। ফ্লাইট বন্ধ করে দিলে এই লোকগুলো যেতে পারতেন না। সে জন্য আমরা বিশেষ ফ্লাইট চালুর সুযোগ তৈরি করেছি।’

মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ দিনে বিশেষ ফ্লাইটে বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগের সংখ্যাটা উল্লেখ করার মতো। প্রতিবেশী ভারতের কর্মী নিয়োগ বন্ধ যেমন এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে, এর পাশাপাশি অন্তত তিনটি কারণ বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে। এগুলো হচ্ছে আগের কর্মী চলে আসায় শূন্য জায়গাগুলোতে কর্মীদের কাজের সুযোগ বেড়েছে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের কর্মীদের মজুরি অন্য দেশের তুলনায় কম হওয়ায় নিয়োগকারীরা তাঁদের নিতে আগ্রহী থাকে। তৃতীয়ত, যেসব কষ্টসাধ্য কাজ এই অঞ্চলের অনেক দেশের কর্মীরা সচরাচর করতে চান না, বাংলাদেশের কর্মীদের সেসব কাজে সহজে নিয়োগ দেওয়া যায়।

গত বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের লোকজনকে দেশে ফিরিয়ে

admin

Read Previous

চার মাসের মধ্যে দুই কোটি টিকা আনা সরকারের লক্ষ্য

Read Next

বরগুনায় নৌকার কর্মী সমর্থকদের উপর স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নেতৃত্বে হামলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *