শিরোনাম:
রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৮ জনের মৃত্যু এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’
১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চুক্তিতেই আছে দায়মুক্তি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৮৮ লাখ ৪২ হাজার ৮৮৮ ডোজ টিকা প্রয়োগ করে ফেলেছে। প্রথম ডোজ পাওয়া ১৩ লাখের বেশি মানুষের দ্বিতীয় ডোজ টিকা পাওয়ার নিশ্চয়তা এখনো হয়নি। এ নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ আছে। তবে টিকার ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী এই পরিস্থিতির জন্য কাউকে দায়ী করার সুযোগ নেই।

কেননা চুক্তিতে বলা আছে, কোনো পক্ষ যদি পরোক্ষ বা বিশেষভাবে কিংবা বিশেষ কোনো পরিস্থিতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তা হলে সে ক্ষেত্রে কেউ দায়ী থাকবে না। পক্ষগুলোর মধ্যে আছে সরকার, বেক্সিমকো ফার্মা ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট।

তিন পক্ষের মধ্যে টিকা কেনার এই চুক্তি হয়েছিল গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর। ২৭ পৃষ্ঠার চুক্তিতে টিকার দাম, সরবরাহব্যবস্থা, দায়দায়িত্ব, সেবা ফি, অপ্রতিরোধ্য কারণ (ফোর্স মেজর) বিষয়ে বলা আছে। তাতে বলা হয়েছে, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা বাংলাদেশের কাছে বিক্রি করবে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মা এই টিকার পরিবেশকের দায়িত্ব পালন করবে।

চুক্তির আওতায় এ পর্যন্ত ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৭১৯ জন প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৫ মের পর আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার মতো টিকা থাকবে না। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির কর্মকর্তারা এ নিয়ে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, প্রথম ডোজ পাওয়া প্রত্যেককে দ্বিতীয় ডোজ টিকা তাঁরা দিতে পারবেন, এমন সম্ভাবনা কম।

■ চুক্তিতে সই করেছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বেক্সিমকো ফার্মার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এবং সেরামের অতিরিক্ত পরিচালক (রপ্তানি)। চুক্তির বিষয়ে তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রথম ডোজ টিকা পাওয়া অনেকেই গণমাধ্যমে ফোন করে জানতে চাইছেন, তাঁরা আদৌ দ্বিতীয় ডোজ পাবেন কি না, দ্বিতীয় ডোজ না পেলে ক্ষতি কী হবে, চীনের বা রাশিয়ার টিকা ভারতের টিকার দ্বিতীয় ডোজের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে কি না। অনেকে আশা করেছিলেন, দুই ডোজ টিকা নিয়ে তাঁরা করোনা সংক্রমণ থেকে দূরে থাকবেন।

admin

Read Previous

অনিয়মের শাস্তি হয় না, উপাচার্যরাও ‘বেপরোয়া’

Read Next

দৃষ্টান্ত স্থাপন করল রাজশাহীর অগ্রণী স্কুল ও কলেজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *