শিরোনাম:
রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৮ জনের মৃত্যু এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’
১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ঢাকার উদ্যানে গাছ আর ইট–পাথর সমানে সমান

এমনিতেই ঢাকা শহরে গাছপালা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। রাজধানী শহরটি বিশ্বের শীর্ষ দূষিত শহরগুলোর মধ্যেও একটি। তারওপর উদ্যানগুলোয় বেড়েই চলেছে কংক্রিটের পরিমাণ।

একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। তবে সরকারের তথ্যমতে দেশে মোট আয়তনের ১৭ শতাংশ বনভূমি (বন ও বৃক্ষ আচ্ছাদিত এলাকা)। কিন্তু ঢাকা শহরে সেটি খুবই কম, যদিও শহরটিতে জনসংখ্যা রয়েছে দুই কোটির ওপরে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) মতে, ঢাকায় সবুজের পরিমাণ শহরটির মোট আয়তনের ৯ দশমিক ২ শতাংশ। তবে শুধু গাছের হিসাব করলে সেটি আরও কম।

ঢাকার সবুজের একটি বড় অংশই দখল করে আছে উদ্যান ও কিছু পার্ক। কংক্রিটের এই শহরে সাতটির মতো বড় উদ্যান রয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানের আয়তন ২০৮ একর, চন্দ্রিমা উদ্যান ৭৪ একর, রমনা পার্ক ৬৯ একর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ৬৮ একর, ওসমানী উদ্যানের আয়তন ২৩ একর, বাহাদুর শাহ পার্ক প্রায় ২৪ একর ও বলধা গার্ডেন ৩ দশমিক ৩৮ একর।

এ ছাড়া গুলশানের বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ পার্ক, লেকপার্ক, বারিধারার লেকভিউ পার্কসহ আরও কিছু পার্ক রয়েছে ঢাকাজুড়ে। রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, চিড়িয়াখানা এলাকা, সংসদ ভবন এলাকা ও ধানমন্ডির মতো কিছু সবুজ এলাকা। এ স্থানগুলোর বেশ কয়েকটিতে রয়েছে কাঠবিড়ালিসহ নানা প্রাণী।

কিন্তু ক্রমেই এসব এলাকাও চলে যাচ্ছে কংক্রিটের দখলে। তার সর্বশেষ উদাহরণ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ছোট-বড় অনেক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। আরও অনেক গাছ কাটার জন্য চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে। বাড়ানো হচ্ছে কংক্রিটের পরিমাণ।

যদিও সরকার বিভিন্ন সময় বলেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কংক্রিটের এই প্রকল্পের বিরোধিতা করা মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধিতা করা। তারা প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘অপ্রয়োজনীয় গাছ’ কেটে ফেলেছে। বিপরীতে আরও বেশি গাছ লাগানো হবে।

admin

Read Previous

টুপি-আতরের বেচাকেনা ‘অর্ধেক’

Read Next

‘দ্যাশ-গেরাম ঢাকার চাইতে বেশি নিরাপদ’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *