শিরোনাম:
এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’ ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর তনয়া, দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা, আপনি আস্থা ও ভরসার শেষ ঠিকানা’
১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৫শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণদের দলে ভেড়ানোর পরিকল্পনা

মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছাত্র, ইসলামি দল ও অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে থাকা তরুণদের দলে অন্তর্ভুক্ত করতে চায় আনসার আল ইসলাম।

সাম্প্রতিক পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) আল-কায়েদাপন্থী এই জঙ্গি সংগঠনের সদস্য সংগ্রহ সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করেছে। তাতে সংগঠনটির এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানা গেছে। এতে বলা হয়, কাগজপত্রে কর্মীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, কেবল বন্দুক আর বারুদের মধ্যে একবিংশ শতাব্দীর ‘যুদ্ধ’ সীমাবদ্ধ নয়। এখন ভাষায় ও জ্ঞানে, কাজে ও কৌশলে দক্ষ হতে হয়। তাই সংগঠনটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে ‘চৌকস’ ও ‘বিচক্ষণ’ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করতে চায়। তারা সময় ও সুযোগের সদ্ব্যবহার করবে।

সদস্য হিসেবে আনসার আল ইসলাম কাদের অন্তর্ভুক্ত করতে চায়, সে সম্পর্কে বলা হয়েছে, তারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছাত্র, ইসলামি দল ও অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে থাকা তরুণদের দলে অন্তর্ভুক্ত করতে চায়। দলে পুরোপুরি অন্তর্ভুক্তির জন্য এক বছরের প্রশিক্ষণের শর্ত রয়েছে। এর আগে কখনো আনসার আল ইসলাম নারীদের অন্তর্ভুক্তির কথা বলেনি। তবে এবারই প্রথম সংগঠনটি তাদের প্রচারপত্রে পুরুষ ও নারী দুই পক্ষকে উদ্দেশ করে বার্তা দিয়েছে।

গত দুই মাসে সিটিটিসি আনসার আল ইসলামের সাতজন সদস্য ও একজন উগ্রবাদী বক্তাকে গ্রেপ্তার করেছে। এঁদের মধ্যে মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, সরকারি কলেজের ছাত্র ও মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক রয়েছেন।

মেজর (চাকরিচ্যুত) সৈয়দ জিয়াউল হক ব্যক্তিগত যোগাযোগ রাখেন, এমন দুজন কর্মী বাকী বিল্লাহ ও আরিফুল ইসলাম ওরফে জাহেদকে তাঁরা গ্রেপ্তার করেছিলেন। বাকী বিল্লাহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ছাত্র ছিলেন, পড়ালেখা শেষ করেননি। তবে প্রযুক্তিজ্ঞানে খুবই দক্ষ।

আহমেদুল ইসলাম, সিটিটিসির অতিরিক্ত উপকমিশনার

সিটিটিসির উপকমিশনার আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, সাম্প্রতিক অভিযানগুলো থেকে পুলিশ যে তথ্য পাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে আনসার আল ইসলাম শক্তিশালী সমর্থক গোষ্ঠী তৈরিতে মনোযোগী হয়েছে। সমর্থক গোষ্ঠী তৈরিতে তারা মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে। তারা বলছে, এই মুহূর্তে তাদের কাজের ৮০ ভাগই মিডিয়া বা প্রচার বিভাগের।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র বলছে, আনসার আল ইসলামের এ-দেশীয় সমন্বয়ক সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক। ২০১৩ সালে ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দারকে কুপিয়ে হত্যার মাধ্যমে দলটির আত্মপ্রকাশ। এরপর থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দলটি মোট নয়টি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল। সবশেষ ২০১৬ সালের এপ্রিলে কলাবাগানে বাসায় ঢুকে ইউএসএআইডির কর্মকর্তা জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব রাব্বীকে খুন করে দলটির লোকজন। পুলিশ বলছে, জিয়াউল হক বছরে তিন-চারবার তিনি কর্মীদের বার্তা পাঠান। তাঁর সর্বশেষ বার্তাটি গত বছরের ২৯ রমজান পায় সংগঠনটির কর্মীরা।

admin

Read Previous

উজানে টানা বৃষ্টিপাত, হাওরে বন্যার আশঙ্কা

Read Next

ঢাকা ছেড়েছেন ২৮ লাখ মানুষ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *