শিরোনাম:
এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’ ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর তনয়া, দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা, আপনি আস্থা ও ভরসার শেষ ঠিকানা’
১১ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৬শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ফ্যাশন উদ্যোক্তাদের নতুন প্ল্যাটফর্ম

করোনা অতিমারির প্রভাবে নানা ধরনের সংকটে আক্রান্ত পৃথিবী। মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি এর মধ্যে প্রধান সংকট হলেও, এর সঙ্গে যোগ হয়েছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি। জীবন ও জীবিকার টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে বিশ্বের উন্নত দেশ থেকে দরিদ্র দেশগুলোতেও। কারণ, দফায় দফায় লকডাউনের কারণে ক্রমাগত ব্যাহত হচ্ছে মানুষের আয়–রোজগার, যার প্রভাব পড়ছে দেশের ফ্যাশনশিল্পেও। ফ্যাশন উদ্যোক্তাদের অনিশ্চয়তায়ও অনেক বেশি। এর একটি বড় কারণ, বাংলাদেশের মানুষ প্রধানত পোশাক কেনে উৎসবের সময়। যেখানে গত দুই বছর দেশের প্রধান উৎসবগুলো অতিবাহিত করতে হয়েছে লকডাউনের মধ্যে।

ফ্যাশন উদ্যোক্তাদের নতুন প্ল্যাটফর্ম

এ কারণে ফ্যাশন উদ্যোক্তারা ছিলেন বিক্রিহীন। যার প্রভাব পড়েছে কারিগর থেকে বিক্রয়কর্মী পর্যন্ত। অনেক ছোট ও মাঝারি ফ্যাশন উদ্যোক্তাকে গুটিয়ে নিতে হয়েছে নিজের ব্যবসা। বিশেষ করে যাঁদের ব্যবসা ছিল দোকাননির্ভর। পাশাপাশি প্রডিউসারদের কাজ পুরোপুরি থেমে যায়, কারিগরেরা তাঁদের চাকরি হারান। অন্যদিকে তাঁদের কাছে জমে থাকে অবিক্রীত পণ্য এবং সংশ্লিষ্ট খাতের লোকদের মধ্যে বাড়তে থাকে হতাশা। যেকোনোভাবে তৈরি পণ্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানোটা ভীষণ জরুরি হয়ে পড়ে। এই আর্থিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার জন্য কী করা যায়, তা নিয়েই ভাবছিলেন সাবেরা আনোয়ার। কারণ, তিনি দেখছিলেন, একদিকে দেশীয় পণ্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পারছে না। অন্যদিকে অনলাইনে বিদেশি পণ্যে বাজার সয়লাব। গত বছরের জুন মাসে সাবেরা আনোয়ার নতুন এক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন। যার মূল ধারণাটাই ছিল তৈরি দেশীয় পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার। পর্যাপ্ত পরিমাণ আর্থিক সহায়তা না থাকায় উদ্যোগটি পুরোপুরি আলোর মুখ দেখেনি।

চলতি বছর আবার লকডাউন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সাবেরা আনোয়ার বুঝতে পারলেন, অবস্থা পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ কম। তাই তিনি তাঁর পুরোনো ফেসবুক গ্রুপ পুনরায় শুরু করলেন এবং নাম দিলেন গোদেশি—মেইড ইন বাংলাদেশ (GoDeshi—Made in Bangladesh)। এই গ্রুপের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশীয় পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ সৃষ্টি করা।

ফ্যাশন উদ্যোক্তাদের নতুন প্ল্যাটফর্ম

ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সাবেরা আনোয়ারের সম্পর্ক বেশ পুরোনো। এর আগে বিভিন্ন ধর্মীয় এবং দেশীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রদর্শনীর আয়োজন করেন তিনি। যেখানে শুধু দেশীয় ডিজাইনারদের তৈরি পোশাক প্রদর্শন করা হয়। এর মাধ্যমে সে সময় প্রায় ৪০০ ডিজাইনার ও উদ্যোক্তার সঙ্গে কাজ করেন তিনি। গোদেশির শুরুতেই তাঁর পূর্বপরিচিত ডিজাইনারদের আহ্বান জানান এবং পেজে অংশগ্রহণ করার নিয়মাবলি নির্ধারণ করেন।

admin

Read Previous

প্রকাশিত প্রতিবেদনের ব্যাখ্যা

Read Next

শিশুশ্রম প্রতিরোধে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মহামারি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *