শিরোনাম:
রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৮ জনের মৃত্যু এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’
১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বিজেপির জেতার নেপথ্যে কংগ্রেসের ভুল কৌশল

ভারতের চার রাজ্যের (পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা, তামিলনাড়ু ও আসাম) বিধানসভার নির্বাচনে এবার বিজেপিবিরোধী একটা হাওয়া ছিল। সেই হাওয়ায় আসামে জিতে যেতে পারত কংগ্রেস, কিন্তু পারল না। আর এ জন্য কংগ্রেসের ভুল কৌশলকে দায়ী করছেন তাদের জোটের শরিক দলের নেতারা, এমনকি কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরাও।

আসামে মোট ১২৬টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস-জোট জিতেছে ৫১টি আসনে। এর মধ্যে কংগ্রেস এককভাবে ২৯টি আসন পায়। প্রধান জোটসঙ্গী, মূলত বাঙালি মুসলমানদের দল বদরুদ্দিন আজমলের অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এআইইউডিএফ) পেয়েছে ১৬টি আসন। অপর দুই জোটসঙ্গী বোড়োল্যান্ড পিপলস ফ্রন্ট ৫টি ও সিপিআইএম পেয়েছে ১টি আসন। অপরদিকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জোট পেয়েছে ৭৫টি আসন, যার মধ্যে ৬০টিই বিজেপির।

তবে জয়ের পরপরই কিছুটা সমস্যার মধ্যে পড়েছে বিজেপি। ফল ঘোষণার চার দিন পরও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানাতে পারেনি। মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে রয়েছেন এর আগের মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

বিশ্লেষকদের মতে, আসামের এবারের ভোটের ভাগ্য নির্ধারণে একটা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে আসাম জাতীয় পরিষদ ও রাইজর দল। দল দুটির নেতৃত্বে রয়েছে মূলত ‘আপার’ আসামের সুশীল সমাজ। ২০১৯ সালে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাস হওয়ার পর আসামে যে আন্দোলন শুরু হয়, সেখান থেকে এ দল দুটির উত্থান। এবার ভোটে কেবল রাইজর দলের নেতা অখিল গগৈ একটি আসন পেয়েছেন। তবে দল দুটির প্রাপ্ত ভোট ১০ শতাংশের আশপাশে।

‘এই ভোটের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে কংগ্রেসের হারের কারণ’ বলে মন্তব্য করেছেন আসামের দায়িত্বে থাকা জাতীয় কংগ্রেসের নেতা জিতেন্দ্র সিং। তিনি বলেন, ওই দল দুটির ভোট কাটার কারণে কংগ্রেস অন্তত ১০টি আসন হারিয়েছে।

admin

Read Previous

দুই ডজন তদন্ত কমিটি, সুপারিশ বাস্তবায়ন নেই

Read Next

অনিয়মের শাস্তি হয় না, উপাচার্যরাও ‘বেপরোয়া’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *