শিরোনাম:
এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’ ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর তনয়া, দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা, আপনি আস্থা ও ভরসার শেষ ঠিকানা’
১১ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৬শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

মাতৃমৃত্যু এখন আর স্বাভাবিক ঘটনা নয়

সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু হওয়া একসময় অনেকটা স্বাভাবিক ঘটনা ছিল। মাতৃমৃত্যু এখন আর কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। মাতৃমৃত্যুর ঘটনার খবর শুনলেই প্রশ্ন ওঠে, কেন মৃত্যু হলো? গত ৫০ বছরে দেশে মাতৃমৃত্যুর হার অনেক কমেছে। তবে কমানোর সুযোগ আরও আছে। চেষ্টাও চলছে।

মাতৃমৃত্যু এখন আর স্বাভাবিক ঘটনা নয়

পেশাজীবী সংগঠন অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সভাপতি অধ্যাপক ফেরদৌসী বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সময় বদলে গেছে। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে কোনো মায়ের মৃত্যু হবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। কিন্তু ৪০-৫০ বছর আগে এটা নিয়ে এত আলোচনা হতো না। তখন মাতৃমৃত্যুর ঘটনা বিস্ময়ের বিষয় ছিল না।’

জনস্বাস্থ্যবিদেরা ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞরা বলেন, সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে কোনো নারীর প্রাণহানি ঘটলে তা মাতৃমৃত্যু বলে বিবেচিত হয়। গর্ভধারণজনিত জটিলতার কারণে, প্রসবকালে এবং প্রসব-পরবর্তী ৪৫ দিনের মধ্যে প্রাণহানি ঘটলে তা মাতৃমৃত্যু। এক লাখ গর্ভধারণে নারী মৃত্যুর সংখ্যাকে মাতৃমৃত্যুর হার হিসেবে ধরা হয়।

সরকার বলছে, দেশে মাতৃমৃত্যুর হার ১৬৫। অর্থাৎ এক লাখ সন্তানের জন্ম দিতে গিয়ে বর্তমানে ১৬৫ জন মায়ের মৃত্যু হচ্ছে। স্বাধীনতার সময় এই হার ছিল অনেক বেশি। অনেকে মনে করেন, সংখ্যাটি ছিল ৬০০-র কাছাকাছি।

১৯৭১ সালে মাতৃমৃত্যুর হার কত ছিল, এর সঠিক উত্তর বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের কাছে জিজ্ঞাসা করে জানা যায়নি। অধ্যাপক ফেরদৌসী বেগম বলেন, ‘তখন এই ধরনের বিষয়ে তথ্য রাখা হতো না বা জানার চেষ্টা ছিল না। এই সচেতনতা আসে আরও অনেক পরে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে ১৯৯০ সাল থেকে মাতৃমৃত্যুর পরিসংখ্যান আছে। অধিদপ্তর বলছে, ১৯৯০ সালে মাতৃমৃত্যুর হার ছিল ৫৭৪। প্রতি দশকে এই হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০০১ সালে ৩৮৪ এবং ২০১৫ সালে ১৭৬।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুই ধরনের কারণে দেশে মাতৃমৃত্যু কমেছে। নারী অধিকার, নারীর শিক্ষায় দেশ এগিয়েছে। তাতে সচেতনতা বেড়েছে। অন্যদিকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতা দিন দিন বেড়েছে। প্রসব-পূর্ব, প্রসবকালীন এবং প্রসব-পরবর্তী সেবার পরিমাণ ও পরিধি বেড়েছে অনেক। এসব কিছু মাতৃমৃত্যু কমাতে ভূমিকা রেখেছে। সরকারের কাজে সহায়তা করেছে জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গ সংস্থা, বিভিন্ন দাতা সংস্থা, এনজিও, সর্বোপরি পেশাজীবী সংগঠন।

admin

Read Previous

কোন পথে হেফাজত

Read Next

এ কেমন দাস্ত; ডায়রিয়া, কলেরা, না অন্য কিছু

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *