শিরোনাম:
এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’ ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর তনয়া, দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা, আপনি আস্থা ও ভরসার শেষ ঠিকানা’
১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৫শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

রাজউকের ২০ প্লট ও ৮০০ কোটি টাকার মালিক ‘গোল্ডেন মনির’

ঢাকায় ২০টি সরকারিসহ ২৩টি প্লট ও সাত ভবনের মালিক মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনির। ব্যাংকে তাঁর রয়েছে ৭৯১ কোটি টাকা। ঢাকায় রয়েছে একটি আবাসন প্রতিষ্ঠান ও দুটি গাড়ির শোরুম। ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জে তিনি আরও এক একর জমির মালিক।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অনুসন্ধানে মনির হোসেনের এত সব সম্পদের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সিআইডির পরিদর্শক মো. ইব্রাহিম হোসেন গত জানুয়ারি থেকে পাঁচ মাস এ বিষয়ে অনুসন্ধান করেছেন। সিআইডি বলছে, মনিরের সব সম্পদই অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত।

গত বছরের ২০ নভেম্বর রাজধানীর মেরুল বাড্ডার বাসায় অভিযান চালিয়ে মনিরকে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক করে র‍্যাব। গ্রেপ্তারের পর তাঁর বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। এ ছাড়া মতিঝিল ও রমনা থানায় মাদকদ্রব্য ও দুদক আইনে আরও চারটি মামলা রয়েছে। মনির হোসেন বর্তমানে কারাগারে আছেন।

সিআইডির কর্মকর্তারা বলেন, গোল্ডেন মনির সোনা চোরাচালান, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভূমি দখল ও ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে এসব অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন। পরে তিনি ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সিরাজগঞ্জ আওয়ামী লীগের একজন নেতাসহ সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সদস্যদের সহযোগিতায় বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ ও নিজ স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে লেনদেন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মালিক হন।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহেল বাকী গতকাল রোববার প্রথম আলোকে বলেন, গোল্ডেন মনির ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে অপরাধলব্ধ আয়ে করা অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের তথ্য–প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা। মনিরের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সিআইডি সূত্র জানায়, গোল্ডেন মনিরের প্রধান সহযোগী সিরাজগঞ্জের জেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে এজাহার প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে মনিরের স্ত্রী, ছেলে, দুই বোন ও ভগ্নিপতিকে আসামি করা হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হবে।

সিআইডি সূত্র জানায়, অপরাধলব্ধ

admin

Read Previous

ঢাকা ছেড়েছেন ২৮ লাখ মানুষ

Read Next

একসঙ্গে দুই মামলায় সুবিধা পায় আসামি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *