শিরোনাম:
এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’ ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর তনয়া, দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা, আপনি আস্থা ও ভরসার শেষ ঠিকানা’
১১ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৬শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সম্রাটসহ অন্যদের বিরুদ্ধে করা ২০ মামলার তদন্ত শেষ হচ্ছে না

ক্যাসিনো–কাণ্ডে সম্রাট ও আরমানের মতো আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতা এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ধরা পড়েছিলেন ১৪ জন। তাঁদের বিরুদ্ধে মোট ৫৫টি মামলা করেছিল পুলিশ, র‌্যাব ও দুদক। এর মধ্যে ৩৫টি মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। বাকি ২০টি মামলার তদন্ত শেষ হচ্ছে না।

রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, মাদক, বিশেষ ক্ষমতা আইন, মানি লন্ডারিং আইন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ৫৫টি মামলা করেন র‌্যাব, সিআইডি ও দুদকের কর্মকর্তারা। এর মধ্যে র‌্যাব-সিআইডি মিলে অস্ত্র, মাদক ও বিশেষ ক্ষমতা এবং মানি লন্ডারিং আইনে ৩২টি মামলা করে। অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়ে গ্রেপ্তার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক (মনজু) ছাড়া বাকি ১৩ জনের বিরুদ্ধে ২৩টি মামলা করে দুদক।

# কারাগারে আটক তিনজন জামিনে মুক্ত # সম্রাট ও জিকে শামীম হাসপাতালের প্রিজন সেলে

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে মামলার তদন্ত শেষ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। মামলাগুলোর তদন্তকাজ প্রায় গুটিয়ে এনেছেন তাঁরা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, ক্যাসিনো–কাণ্ডে যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে আছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও তাঁর সহযোগী আরমান, যুবলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী সুমি রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, প্রভাবশালী ঠিকাদার যুবলীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া (জি কে) শামীম, কৃষক লীগের নেতা শফিকুল আলম (ফিরোজ), মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, অনলাইন ক্যাসিনোর মূল হোতা সেলিম প্রধান, দুই সহোদর এনামুল হক ভূঁইয়া (এনু) ও রুপন ভূঁইয়া, ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান (মিজান), তারেকুজ্জামান রাজীব ও ময়নুল হক (মনজু)। এঁদের বিরুদ্ধে র‌্যাব ১৮টি মামলা করে। অপরাধলব্ধ আয় ও দেশের বাইরে অবৈধ অর্থ পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনে ১৪টি মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আর অবৈধ সম্পদ অর্জন করার অভিযোগে ২৩টি মামলা করে দুদক।

admin

Read Previous

২৯টি বিষয় নিশ্চিত হতে বলল আইন মন্ত্রণালয়

Read Next

করোনাকালে ত্রাণ পেতে ৩৩৩ নম্বরে ফোন বাড়ছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *