শিরোনাম:
রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৮ জনের মৃত্যু এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’
১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

স্ত্রী-শ্যালিকাকে ভারতে পাচারের অভিযোগ, র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ২

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার একটি গ্রাম থেকে স্ত্রী-শ্যালিকাকে ভারতে পাচার করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ওই ব্যক্তির নাম ইউসুফ মিয়া (৩২)। গতকাল শুক্রবার রাতে জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বালিহাটা গ্রামের কান্দাবাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের রইজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানায় র‍্যাব।

এদিকে, পৃথক অভিযানে রব্বিল শেখ (৩০) নামের ইউসুফের আরেক সহযোগীকেও শুক্রবার দিবাগত রাতে গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে স্বর্ণালংকার ও সোয়া দুই লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। তাঁর বাড়ি নড়াইলের কালিয়ায় এবং বাবার নাম মোসলেম শেখ। রব্বিল শেখের সঙ্গে মানব পাচারকারী চক্রের বিভিন্ন সময়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছেন র‍্যাব সদস্যরা।

গ্রেপ্তার দুজনই নারী পাচারের অভিযোগে ৫ জুন গাজীপুরের শ্রীপুর থানায় হওয়া মামলার আসামি। পাচারের শিকার দুই বোনের বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। বড় বোনের (ইউসুফের স্ত্রী) বয়স ২২ ও ছোট বোনের বয়স ১৯ বছর বলে এজাহার সূত্রে জানা গেছে। দুই বোনই শ্রীপুরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

র‍্যাব-১৪ ময়মনসিংহ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেশি বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে স্ত্রী ও শ্যালিকাকে কয়েকজন সহযোগীর সহায়তায় ভারতে পাচার করেন ইউসুফ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দুই বোনের বাবা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় মামলা করেন। এজাহারের বরাত দিয়ে র‍্যাব জানায়, ইউসুফ মিয়া বাদীর বড় মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ার মাধ্যমে পালিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর বেশি বেতনে ভারতে কাজ দেওয়ার কথা বলে স্ত্রী ও শ্যালিকাকে অর্থের বিনিময়ে নারী পাচারকারী চক্রের হাতে তুলে দেন। চক্রটি দুই তরুণীকে ভারতে পাচার করে দেয়।

বড় বোনের (গ্রেপ্তার ইউসুফের স্ত্রী) বয়স ২২ ও ছোট বোনের বয়স ১৯ বছর বলে এজাহার সূত্রে জানা গেছে। দুই বোনই শ্রীপুরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

মেয়ে দুটির মামা প্রথম আলোকে বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁর বড় ভাগনি ও ইউসুফ পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করেছিলেন। পরে তাঁদের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। কিন্তু বিয়ের দুই মাস যেতে না যেতেই গত এপ্রিল থেকে হঠাৎ করেই দুই ভাগনির হদিস মিলছিল না।

মামলার বাদী ভুক্তভোগী দুই তরুণীর বাবা প্রথম আলোকে বলেন, পরিবারে আর্থিক অভাবের জন্য মেয়েদের গাজীপুরে গার্মেন্টসে কাজ করতে পাঠান তিনি। সেখান থেকে পরিচয়ের সূত্র ধরে তাঁর বড় মেয়ে গত রমজানের আগে ইউসুফকে বিয়ে করেন। রোজার ঈদে তাঁদের বাড়িতে আসার কথা থাকলেও ঈদের ১০-১২ দিন আগে থেকে মেয়েদের আর খোঁজ পাচ্ছিলেন না তিনি। পরে সব জায়গায় খোঁজ নেন। কিন্তু তাঁদের সন্ধান পাননি।

এর মধ্যে গত মে মাসের শেষ সপ্তাহে ভারত থেকে পুলিশ ফোন করে তাঁকে জানায়, তাঁর ছোট মেয়ে তাদের জিম্মায় আছেন এবং নিরাপদে আছেন। ভারতীয় পুলিশ তাঁকে আরও জানায়, পাচারকারী চক্রের কাছ থেকে কৌশলে পালিয়ে গিয়ে হাওড়া পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তাঁর মেয়ে। এরপর স্থানীয় পুলিশ তাঁকে হাওড়ায় ভারত সরকারের পরিচালিত সেফহোম ‘পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক’-এ হস্তান্তর করে। পরে সেখান থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাঁর ছোট মেয়ে। সেখান থেকে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনি পুলিশ ও র‍্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে এখনো বড় মেয়ের ব্যাপারে কিছু জানতে পারেননি তিনি।

admin

Read Previous

চুয়াডাঙ্গায় কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

Read Next

পরিস্থিতি যা–ই হোক, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হবে: সিইসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *