শিরোনাম:
রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৮ জনের মৃত্যু এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’
১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

রাজশাহীতে লকডাউনের পরিধি বাড়তে পারে ॥ আজ বুধবার রাতে সার্কিট হাউসে বৈঠকে সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকায় এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন শেষ হচ্ছে আগামীকাল ১৭ জুন মধ্যরাতে। তার আগেই চলমান লকডাউনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য আজ বুধবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় সার্কিট হাউজে আহুত জরুরী বৈঠকে বসছেন প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে করোনা ও উপসর্গে রামেক হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ৪০ শতাংশই গ্রামাঞ্চলের বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী। তিনি জানান, রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ায় মৃত্যুর হার কমছে না। করোনা সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে শহরের পাশাপাশি গ্রামেও বিধিনিষেধ আরোপে বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকদের সাথে একমত তিনিও। লকডাউনের সুফল পেতে সাত দিন নয়, অন্তত ১৪ দিনের লকডাউন চান তিনি। অন্যদিকে রাজশাহী সিভিল সার্জন ডা. কাইয়ুম তালুকদার জানান, সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় সর্বাত্মক লকডাউন আরও সাতদিন বাড়ানোর পক্ষে তিনিও। তবে তিনি একা বললে তো আর হবে না, কমিটির সকলের সম্মিলিত মতামত গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানান তিনি। এজন্য আজ বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতেও বলেন তিনি। সঙ্গত কারণে রাজশাহীতে চলমান সর্বাত্মক লকডাউন ও পরিধি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি জুনের ১৫ দিনে (১ জুন থেকে ১৫ জুন) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১৪৮ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এদের ৮৮ জন করোনা পজেটিভ ছিলেন। বাকিরা করোনা উপসর্গে মারা যান। মৃতদের বেশিরভাগই ভারতীয় ডেল্টা ভেরিয়েন্ট আক্রান্ত বলে সন্দেহ করছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা।

পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শামীম ইয়াজদানী জানান, করোনা ও উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন গড়ে অর্ধশত নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। ১৫ জুন মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত রামেক হাসপাতাল নতুন ভর্তি হয়েছেন ৫৮ জন। এদের মধ্যে রাজশাহীর ৩৯, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আট, নাটোরের চার, নওগাঁ পাঁচ ও কুষ্টিয়ার দুইজন। একই সময় সুস্থ্য হয়েছেন ৪৩ জন।

তিনি আরও জানান, এদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত রামেক হাসপাতালের ২৭৩ করোনা বেডের বিপরীতে ভর্তি ছিলেন ৩২৫ জন। অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা করে ৫২ রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে রাজশাহীর ১৮৯, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৮২, নাটোরের ১৭, নওগাঁর ২৬, পাবনার ৪, কুষ্টিয়ার ৬ ও চুয়াডাঙ্গার ১ জন। এদিন করোনা ইউনিটে মৃত ১২ জনের আটজনই পজেটিভ ছিলেন।

পরিচালক বলেন, করোনায় বয়স্কদের সাথে পাল্লা দিয়ে তরুণদের মৃত্যুর হারও বাড়ছে। তাই মৃতদের বেশিরভাগ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট বলে সন্দেহ করছেন চিকিৎসকরা। রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটসহ ১৩টি ওয়ার্ডে চলছে করোনার চিকিৎসা। প্রস্তুত করা হচ্ছে আরেকটি নতুন ওয়ার্ড। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কাছে চাওয়া হয়েছে আরও ১৫ জন চিকিৎসক।

admin

Read Previous

মোবাইলে কল করলেই করোনা রোগীরা পাবেন আরএমপির অক্সিজেন সিলিন্ডার

Read Next

বিধিনিষেধ আরও এক মাস বাড়ল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *