শিরোনাম:
এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’ ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর তনয়া, দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা, আপনি আস্থা ও ভরসার শেষ ঠিকানা’
১১ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৬শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

রাবির প্রশাসন ভবনে ফের তালা ॥ নিজ দপ্তরে কোষাধ্যক্ষ অবরুদ্ধ

রাবি সংবাদদাতা :

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এডহক নিয়োগপ্রাপ্ত সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গতকাল রবিবার (২০ জুন) দ্বিতীয় দিনের মত সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ দুই প্রশাসন ভবনে আবারো তালা লাগিয়ে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়েছে। এতে নিজ দপ্তরে গিয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন বিশ^বিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. একেএম মুস্তাফিজুর রহমান আল আরিফ। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে ডায়াবেটিকস সহ শারীরিক সমস্যা থাকায় মানবিক বিবেচনায় তালা খুলে কোষাধ্যক্ষকে বের হওয়ার সুযোগ দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বিকেল ৫টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এডহক নিয়োগপ্রাপ্তরা প্রশাসন ভবনের গেটে অবস্থান করছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

এডহক নিয়োগপ্রাপ্তদের কয়েকজন জানান, ‘সকাল থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত আমরা ক্যাম্পাসে অবস্থান করছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে থাকা উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহার বেলা ১১টায় পদায়নের বিষয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা ছিল। কিন্তু তিনি প্রশাসন ভবনে তার নিজ দপ্তরে আসেননি। আমরা তাকে ফোনে নিজ দপ্তরে আসতে বলেছিলাম। কিন্তু মোবাইল ফোনে তিনি সেই একই কথা বলেছেন, তার কোনো কিছু করার নেই। তাই বাধ্য হয়ে আমরা বেলা ১১টার দিকে দুইটি প্রশাসন ভবনে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বের করে দিয়ে তালা ঝুঁলিয়ে দেই।’

জানা যায়, বেলা ১১টার কিছু সময় আগে কোষাধ্যক্ষ প্রশাসন ভবনের নিজ দপ্তরে ঢুকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। এসময় নিয়োগপ্রাপ্তরা তাদের বিষয়ে পজেটিভ সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোষাধ্যক্ষকে বের হতে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। দুপুরের দিকে রুটিন উপাচার্যের নামীয় ফেসবুক থেকে প্রশাসন ভবনে কোষাধ্যক্ষের অপরুদ্ধ হয়ে পড়ার বিষয়ে একটি স্ট্যাটাসও দেয়া হয়।

এডহক নিয়োগপ্রাপ্ত জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ফারদিন বলেন, ‘রুটিন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহা আমাদের সঙ্গে বার বার প্রতারণা করছেন। গতকাল শনিবার আমরা তার বাসভবনের সামনে যখন তার দেখা করতে গিয়েছিলাম, তিনি শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কথা বলে আজ রবিবার বেলা ১১টায় পদায়নের বিষয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুতি মোতাবেক আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন নি। এবিষয়ে তিনি আমাদের কিছু জানানওনি। তাই আমাদের পদায়ন না করা পর্যন্ত চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

এদিকে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান আল আরিফ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পদায়নের বিষয়টি আমার সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। আর যেহেতু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।’

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে রয়েছেন, তিনি এই বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন। তবে উপাচার্যের রুটিন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

admin

Read Previous

রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১০ জনের মৃত্যু

Read Next

রাজশাহীতে আকস্মিক ভেঙে পড়ল চারতলা ভবন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *