শিরোনাম:
রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৮ জনের মৃত্যু এবার রাবির নতুন উপ-উপাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক রাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম টিপু রাবি প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাউকে দায়িত্ব না দেওয়ার ও দ্রুত ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বিতর্কিত ভূমিকার কাউকে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ কেউই মেনে নেবে না’ ইতিহাসবিদ এ বি এম হোসেন : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবস্তম্ভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্বাহী আদেশ অমান্যসহ তথ্য গোপনের অভিযোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অফিসারদের উপস্থিতি চোখে পড়ে ‘হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার’
১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

রুটিন উপাচার্যের বিরুদ্ধে ৭৩ এর এ্যাক্ট লঙ্ঘনের অভিযোগ ফের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এডহক নিয়োগপ্রাপ্তরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক- ফাইল ছবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাবি সংবাদদাতা :
রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহার বিরুদ্ধে ১৯৭৩ সালের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) অধ্যাদেশ লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন এডহক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টাায় রাবি সাংবাদিক সমিতির সামনের রাস্তায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তারা। একই সঙ্গে দ্রুত পদায়নের জন্য তারা ফের আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত এই সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শিবিরের হামলায় পা হারানো ছাত্রলীগ নেতা এবং এডহক নিয়োগপ্রাপ্ত আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ৫ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান ১৯৭৩ সালের রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় অধ্যাদেশ এর ১২(৫) ধারায় তার উপর অর্পিত ক্ষমতা বলে শূন্য পদের বিপরীতে ১৩৮ জন জনবল নিয়োগ দেন। পরের দিন ৬ মে তারা রেজিস্ট্রার দপ্তরে যোগদান করেন। কিন্তু অধ্যাপক আব্দুস সোবহান এর মেয়াদ শেষ হলে রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা তাদের যোগদান অবৈধ আখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং নানা অজুহাতে কর্মস্থলে পদায়ন থেকে বিরত রেখেছেন। ১৯৭৩ সালের রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় অধ্যাদেশ মোতাবেক রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য নিয়োগে কোনো ধরণের সিদ্ধান্ত দিতে বা হস্তক্ষেপ করতে পারেন না।

লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, ‘আমাদের রুটি রুজির উপর অমানবিক নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত নিতে মরিয়া বর্তমান রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা। তিনি এই নিয়োগ বাতিলের জন্য প্রতিনিয়ত মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন এবং ১৯৭৩ এর রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় এ্যাক্ট লঙ্ঘন করে আসছেন। আমরা হতবাক হয়েছি, রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য গত ২৪ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর এই নিয়োগ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদনটি মিথ্যার আলোকে সাজানো এবং ১৯৭৩ এর এ্যাক্টের ভুল ব্যাখ্যায় ভরপুর। এধরণের ভুল ব্যাখ্যায় ভরা প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়কে দেওয়া নিয়োগের বিরুদ্ধে চলমান ষড়যন্ত্রের একটি অংশ। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ এবং উক্ত প্রতিবেদন প্রত্যাহারের দাবি জানাই।’

উল্লেখ্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে রুটিন উপাচার্য উল্লেখ করেছেন, ১৯৭৩ এর অধ্যাদেশ অনুযায়ী উপাচার্য এডহক নিয়োগ দিতে পারেন, তবে নিয়োগ দেওয়ার পর সিন্ডিকেটে রিপোর্ট করতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সিন্ডিকেটে রিপোর্ট করা হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের বক্তব্য হচ্ছে- গত ৫ মে এই নিয়োগ হওয়ার পর অদ্যবধি কোনো সিন্ডিকেট সভা হয় নাই। রুটিন উপাচার্যের এধরণের তথ্য গোপন ও মিথ্যাচারে আমরা নিজেরাই লজ্জিত।

প্রতিবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেছেন- রেজিস্ট্রার মহোদয় উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও অন্য একজনকে দায়িত্ব দিয়ে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে, যা ১৯৭৩ এর এ্যাক্টের ব্যতায়। এ তথ্যও সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালাম গত ৫ ও ৬ মে অজ্ঞাত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন। এমনকি তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিলো। তবে গত ৭ মে তিনি রাবিতে এসে তাঁর আত্মগোপনে যাওয়ার রহস্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিতও হয়েছে। এখানে রুটিন উপাচার্য প্রকৃত সত্য লুকিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। রেজিস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনে বাধ্য। কিন্তু তার দীর্ঘ সময় অনুপস্থিতিতে উপাচার্য অধিণস্থ কোন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়ে কার্য সম্পন্ন করতে পারেন। এখানে আরো উল্লেখ করা প্রয়োজন, ১৯৭৩ এর এ্যাক্ট অনুযায়ী উপাচার্য মহোদয়ের উপর অর্পিত ক্ষমতা বলে রেজিস্ট্রার উপস্থিত থাকা সত্বেও অন্য কোন কর্মকর্তা দিয়ে কার্য সম্পাদন করতে পারেন।

এছাড়া যে সকল পদের বিপরীতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে এবং প্রক্রিয়াধীন সে সকল জায়গায় এ্যাডহক দেওয়া আইনসিদ্ধ নয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু উল্লিখিত পদের বিপরীতে এডহক নিয়োগ দেওয়া হয় নি। বরং রাবির যথাযথ দপ্তর থেকে আমরা নিশ্চিত হয়েছি শূন্য পদের বিপরীতে এই নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রেও রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন।

ওই প্রতিবেদনে অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহার উল্লেখ করেছেন, শিক্ষক নিয়োগে যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়নি। এছাড়া অপেক্ষাক্তৃ নিম্নমানের যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ রাবিতে শিক্ষক নিয়োগে বর্তমান যে নীতিমালা প্রচলিত রয়েছে, সেই নীতিমালা প্রণয়নের সাত সদস্য কমিটির আহবায়ক ছিলেন বর্তমান রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা নিজেই। যার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। রাবির ৭৩ এর এ্যাক্ট অনুযায়ী কোন বিভাগে বা অফিসে জনবল নিয়োগ দেওয়া হলে বিভাগ বা অফিসের প্লানিং কমিটির বা কর্তৃপক্ষের চাহিদা পত্র থাকতে হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন আনন্দ কুমার সাহা। কিন্তু এটিও মিথ্যাচারের একটি অংশ। মূলত শূন্য আসনের বিপরীতে উপাচার্য তার ওপর অর্পিত ক্ষমতা বলে যেকোনো পরিস্থিতিতে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে পারেন।

প্রতিবেদনের সবশেষে তিনি উল্লেখ করেছেন- মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসির নিয়মিত নিয়োগ এবং এ্যাডহক নিয়োগের উপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। অথচ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে সুস্পষ্টভাবে নিয়োগ স্থগিত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়। তবে অনুরোধ কখনও নিষেধাজ্ঞা হতে পারে না। অনুরোধ সম্বলিত পত্রটি আসার পর সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান উক্ত পত্রটি ‘ক’ আকারে মার্ক করে পত্রটি স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। গত ১০ জানুয়ারি ফাইল নোটে এই স্থগিতাদেশের পরদিন ১১ জানুয়ারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পত্রের প্রেক্ষিতে জামাল উদ্দীন নামের বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ক্রিকেট দলের অধিনায়ককে এডহক নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি যথারীতি রাবিতে চাকরিও করছেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই নিয়ম চলতে পারে না। অথচ রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য এর মর্মার্থ না বুঝেই ওই চিঠির ভুল ব্যাখ্যা শিক্ষা মন্তণালয়ে দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার দিনই তাৎক্ষনিকভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি রিপোর্ট জমাও দিয়েছেন। আমাদের জানামতে তদন্ত কমিটি এই নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করেনি বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই নিয়োগকে অবৈধ বলেনি। কিন্ত রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য কোন ক্ষমতা বলে এই নিয়োগকে অবৈধ অ্যাখ্যা দিয়ে আমাদের পদায়নে বাধা তথা কর্মে যোগদান করতে দিচ্ছেন না। আমরা মনে করি, একজন রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য তার কর্তব্য দায়িত্ব এবং ক্ষমতা ভুলে গিয়ে মিথ্যাচার এবং একের পর এক ১৯৭৩ এ্যাক্ট লঙ্ঘন করছেন। একজন রুটিন উপাচার্য পদায়ন, বদলি, ফাইন্যান্স কমিটির মিটিং ও সিন্ডিকেট সভাও করতে পারেন না। ইতোমধ্যে তিনি পদায়ন এবং বদলিও করেছেন এখন তিনি ফাইন্যান্স ও সিন্ডিকেট মিটিং করতে মরিয়া। তিনি নীল নঁকশা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে প্রগতিশীল সমর্থিত অফিসার কর্মকর্তাদের সরিয়ে জামাত-বিএনপি কর্মকর্তাদের পদায়ন করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গত ২৪ জুন মিডিয়ার সামনে সাক্ষাৎকারে নিজের অক্ষমতার কথা প্রকাশ করেন রুটিন উপাচার্য। সেই সঙ্গে তিনি এবং তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতার আশংকা প্রকাশ করেন। এটা তার নীল নকশা বাস্তবায়নের আরেক কৌশল ও ধাপ। সহানুভূতি আদায় করতে এধরণের নাটক সাজিয়েছেন তিনি। ইতিপূর্বে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ইঙ্গিত করে মিডিয়ায় বলেন, মন্ত্রনালয় নাকি তার হাত পা বেধে রেখেছেন? স্বায়ত্বশাসিত বিশ^বিদ্যালয়ে এটি কখোনো হতে পারেনা। এটা তাঁর মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। মনে রাখা বাঞ্ছনীয় উপাচার্য রাষ্ট্রপতি দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

তারা বলেন, ‘রুটিন উপাচার্য মহোদয় কি আশঙ্কায় রয়েছেন? সত্য কথা বলতে, আশঙ্কায় তো রয়েছি আমরা। আপনারা জানেন আমরা কর্মস্থলে যোগদানের লক্ষ্যে লাগাতার আন্দোলন করছি। এই আন্দোলন নস্যাৎ করতে রুটিন উপাচার্য রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এবং গুন্ডাবাহিনীর দ্বারা ইতোমধ্যে আমাদের আন্দোলনের আহবায়ক ওমর ফারুক ফারদিন কে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা প্রতিনিয়ত হুমকির শিকার হচ্ছি। রুটিন উপাচার্য নিজে আমাদের নিয়োগপ্রাপ্ত অনেকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেন এবং নানা লোভনীয় প্রস্তাব দিয়ে চলমান আন্দোলন নস্যাৎ এবং গন্ডগোল বাধানোর পরিকল্পনা অব্যাহত রেখেছেন। ইতোমধ্যে কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি। এর দায়ভার রুটিন উপাচার্যকে নিতে হবে। আমাদের কাছে তার প্রমাণ আছে, নিরাপত্তার স্বার্থে এখন প্রকাশ করছিনা। যথা সময়ে তা প্রকাশ করা হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ‘আমরা অসহায় কর্মস্থলে যোগদান করতে চাই।যে নিয়োগ হয়েছে সম্পন্ন বৈধ উপায়ে সেই নিয়োগকে কেমনে রুটিন উপাচার্য অবৈধ বলে? গভীর বেদনার সহিত আমরা লক্ষ্য করছি কিছু কিছু গণমাধ্যম তাদের লেখনির সময় অবৈধ নিয়োগ, ছাত্রলীগ যুবলীগ উল্লেখ করেন। আমরা বিনয়ের সহিত বলতে চাই, আগে ছাত্র হয়েছি। পরে ছাত্রলীগ হয়েছি। ছাত্রলীগ করা ছেলেরা কি চাকরি পেতে পারেন না? বর্তমান রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা কর্তৃক মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত ভুল ব্যাখ্যার প্রতিবেদন এবং তার অবিরাম মিথ্যাচারে এটা প্রতিয়মান যে, তিনি যে কোন উপায়ে এই নিয়োগ বাধাগ্রস্থ করতে চান। আমরা মনে করি, তিনি জেনে-বুঝে এবং তাদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপিংয়ের বলির পাঠা হিসেবে আমাদের ব্যবহার করছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, ‘আমরা আহবান জানাই মিথ্যার ফুলঝুড়ি বাদ দিয়ে সত্যকে উপস্থাপন করে ৭৩ এর অধ্যাদেশ অনুযায়ী আমাদের বৈধ নিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে কর্মেস্থলে যোগদান করার সুযোগ দিন ।অন্যথায় আমাদের লাগাতার আন্দোলন থেকে বিচ্যুতি হবো না। প্রয়োজনে নায্য অধিকার আদায়ে আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হবো। উক্ত সমস্যা নিরসনে এবং দ্রুত প্রদানের দাবিটি সার্থকভাবে সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন নিয়োগপ্রাপ্তরা। এসময় ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য ও রাবি শাখার সাবেক সহ সভাপতি আতিকুর রহমান সুমন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ফারদিন, মহানগর যুবলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক একেএম আরকান উদ্দিন বাপ্পি, রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ফিরোজ মাহমুদ, মাসুদ রানা, দেলোয়ার হোসেন ডিলস, বর্তমান সহ-সভাপতি মাহফুজ আল আমিন, তৌহিদ মোরশেদ, সদস্য বোরহানউদ্দিন, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির রাবি শাখার সাবেক আহ্বায়ক মতিউর রহমান মর্তুজাসহ নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে মতামতের জন্য রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্যের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

admin

Read Previous

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভার্চুয়াল সভা

Read Next

রাবিতে এডহক নিয়োগপ্রাপ্তদের মানববন্ধন থেকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, রুটিন উপাচার্যের থানায় জিডি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *