রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সিনহা হত্যাকাণ্ডের ‘প্রত্যক্ষদর্শী’ মসজিদের ইমাম আদালতে যা বললেন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত সেনাবাহিনীর অব. মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় দ্বিতীয় দফায় মঙ্গলবার আরও একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।এ মামলার পঞ্চম  সাক্ষী হিসেবে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও মসজিদের ইমাম  হাফেজ মো. আমিন সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।

এসময় সাক্ষী  হাফেজ মো. আমিন আদালতকে জানান, ঘটনার সময় তিনি পাশের একটি মসজিদ সংযুক্ত মাদ্রাসায় ছাদে ছিলেন। মসজিদ থেকে তল্লাশিচৌকির দূরত্ব ৩০-৪০ কদম উল্লেখ তিনি ওই মসজিদের ইমাম ছিলেন বলে জানান।

আদালতকে সাক্ষী মো. আমিন বলেছেন, সেদিন রাতে তল্লাশিচৌকির পাশে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে সিনহা মাটিতে (সড়কে) পড়ে ছটফট করছিলেন। প্রাণ বাঁচানোর জন্য পানির জন্য আকুতি জানাচ্ছিলেন। লিয়াকত আলী সিনহার দিকে গিয়ে বুকে লাথি মারেন কয়েকবার। পা দিয়ে মাথাও চেপে ধরেন।

এর কিছুক্ষণ পর টেকনাফের দিক থেকে সাদা মাইক্রোবাস নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান প্রদীপ কুমার দাশ (টেকনাফ থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)। তখনো সিনহা জীবিত ছিলেন এবং ‘পানি পানি’ করছিলেন। ওসি প্রদীপ তখন লাথি মারেন এবং পা দিয়ে গলা চেপে ধরে সিনহার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে মামলার ১৫ আসামিকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়।

এদিকে সিনহা হত্যা মামলার ৬ষ্ঠ দিনের বিচারকার্য শুরুতে সরকারি নিয়মনীতির আলোকে আসামি প্রদীপ কুমার দাশ একজন প্রথম শ্রেণির অফিসার হিসেবে কারাগারে যে সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন, তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কারাগারে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা নিশ্চিতের আবেদন করেন অ্যাডভোকেট রানাদাশ গুপ্ত। আদালত কারাবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদেশ নামা পাঠানো হবে বলে উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে আসামি পক্ষের অপর এক আইনজীবী ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি যে রিপোর্ট দিয়েছিল তা তলবের আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে দেন।

এ সময় সরকারি কৌশলী তার বিরোধীতা করে বলেন, এটি একটি রাষ্ট্রীয় নথি। এটি এই মামলায় এই মুহূর্তে উপস্থাপন করার প্রয়োজন নেই।  এর পরপরই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হাফেজ মো. আমিনের জবানবন্দি রেকর্ড শুরু করেন আদালত।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন,  হাফেজ মো. আমিনের সাক্ষ্যের গুরুত্ব অত্যাধিক। কারণ হাফেজ মো. আমিন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারার জবানবন্দি দিয়েছিলেন। তাই সিনহার সফরসঙ্গী সিফাতের মতো হাফেজ আমিনের জবানবন্দি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আদালত সূত্র জানায়,দ্বিতীয় দফার ৩য় দিনের জন্য হাফেজ মো. আমিন, শওকত আলী ও সাইফুল আবছার আবুইয়ার সাক্ষ্যের হাজিরা দেওয়া হয়। প্রথম দিন ৬ জনের এবং দ্বিতীয় দিনে ৩ জনের হাজিরা দেওয়া হলেও মাত্র একজন করেই সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এরপরও দ্রুততায় সম্পন্ন হবার আশায় আজকেও তিনজনের হাজিরা দেওয়া হয়েছিল।

এই বিভাগের আরও খবর

রামেক হাসপাতালের রক্ত পরীক্ষার টাকা জমার কাউন্টারে রোগি ও স্বজনদের ভোগান্তি চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের রক্ত পরীক্ষার টাকা জমা দেয়ার কাউন্টারে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগি ও স্বজনদের। রক্ত পরীক্ষার জন্য একটিমাত্র

রাজশাহীতে মাদক অপরাধ দমনে করণীয় নির্ধারণ সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীতে ‘মাদক অপরাধ দমনে করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত

মুশফিকের পর সাকিবকে ছাড়িয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় পরীমনি

বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা তারকা সাকিব আল হাসান। শুধু বাংলাদেশেরই নয়, গোটা বিশ্বের ক্রিকেট আইকন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বেশি আলোচিত চিত্রনায়িকা

নওশাবা শুধুই সিনেমায়

মডেলিং ও টিভি নাটকে অভিনয় করে নজর কাড়লেও এখন সিনেমাতেও নিয়মিত অভিনয় করছেন কাজী নওশাবা আহমেদ। করোনাকালেও তিনি অভিনয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। নাটক সিনেমায় সমান্তরাল