রাজশাহীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় গ্রেপ্তার ৪: ছিনতাইকৃত অটোরিক্সা উদ্ধার
রাজশাহীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় গ্রেপ্তার ৪: ছিনতাইকৃত অটোরিক্সা উদ্ধার
রাজশাহী মহানগরীতে অটোরিক্সা চালক হত্যার মামলায় আরএমপির গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে হত্যা ও ছিনতাই চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার হয়েছে। এরা হলেন- নগরীর রাজপাড়া থানার হড়গ্রাম পূর্বপাড়ার মোঃ মাসুদ রানার ছেলে মোঃ তানভীর রানা প্রান্ত (২২), লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়ার মোহাম্মদ ইনসানের ছেলে মোঃ শামীম (৩৫), আলীগঞ্জ পূর্বপাড়ার মোঃ জামালের ছেলে মোঃ রাব্বি (২০)ও লক্ষ্নীপুর ভাটাপাড়ার মোঃ মোকলেসের ছেলে মোঃ নূর আলম (২৫)।
আরএমপির গোয়েন্দা পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নিহত অটোরিক্সা চালক মামুনুর রশিদ (৫০) গত ২ মে বিকেলে ভাড়ার অটোরিক্সা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন সকালে দামকুড়া থানার জোতরাবোন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মোঃ বাবুল (৬০) বাদী হয়ে দামকুড়া থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন। পরবর্তীতে দামকুড়া থানা পুলিশ অভিযোগ আমলে নিয়ে একটি হত্যা মামলা রুজু করেন।
মামলার সূত্র ধরে আরএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ২টার দিকে রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা এলাকা থেকে মামলার ১ ও ২ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় ছিনতাইকৃত অটোরিক্সাটিও উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে ডিঙ্গাডোবা এলাকায় আরও অভিযান চালিয়ে রাত আনুমানিক পৌনে ৪টা এবং পৌনে ৫টার দিকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মামলার ৩ ও ৪ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত মামলার ২ নম্বর আসামি শামীমের বিরুদ্ধে পূর্বে আরএমপির রাজপাড়া থানায় বিভিন্ন আইনে ৬টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও, মামলার ৩ নম্বর আসামি রাব্বির বিরুদ্ধে পূর্বে আরএমপির রাজপাড়া থানায় ১টি এবং রাজশাহী জেলার তানোর থানায় ১টি পেনাল কোডের মামলা চলমান রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
রাজশাহী মেট্টোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোঃ গাজীউর রহমান বলেন, মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছে।